Ki Kore Toke Bolbo (২০১৬)
মূল গল্প (Plot Summary)
গল্পের শুরু হয় আকাশ (অঙ্কুশ) ও অঞ্জলি (মিমি)-র একটি পারিবারিক সম্বন্ধ (Arranged Marriage) করে বিয়ের মাধ্যমে। কিন্তু বিয়ের প্রথম রাতেই অঞ্জলি আকাশকে জানায় যে সে অন্য একজনকে (বিক্রম) ভালোবাসে এবং সে এই বিয়ে মেনে নিতে পারবে না। অঞ্জলি আকাশের কাছে ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদ দাবি করে।
আকাশ মনঃক্ষুণ্ণ হলেও অঞ্জলির ইচ্ছাকে সম্মান জানায় এবং পরের দিনই তারা ডিভোর্সের জন্য আদালতে যায়। তবে আদালত তাদের সরাসরি ডিভোর্স না দিয়ে, নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য ৬ মাসের একসাথে থাকার একটি আইনি সময়সীমা বেঁধে দেয়।
এই ৬ মাসে আকাশ নিজের ভালোলাগা বিসর্জন দিয়ে অঞ্জলিকে তার প্রাক্তন প্রেমিক বিক্রমের সাথে মিলিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অঞ্জলি তার প্রেমিক বিক্রমের আসল ও স্বার্থপর রূপ দেখতে পায় এবং বুঝতে পারে বিক্রম তাকে নয়, বরং তার বাবার টাকাকে ভালোবাসে। প্রতারিত হয়ে অঞ্জলি যখন ভেঙে পড়ে, তখন আকাশ তাকে মানসিক সাপোর্ট দেয় এবং তার পাশে দাঁড়ায়।
আকাশের এই নিঃস্বার্থ ভালোমানুষি, যত্ন এবং সততা দেখে অঞ্জলি আস্তে আস্তে আকাশের প্রেমে পড়তে শুরু করে। কিন্তু সমস্যা হলো, মুখে সে "কী করে তোকে বলব" (ভালোবাসার কথা) তা গুছিয়ে উঠতে পারে না। একদম শেষ মুহূর্তে আইনি ৬ মাস শেষ হয়ে যাওয়ার পর তাদের ডিভোর্স পেপারে সই হয়ে যায়। এরপর তারা কীভাবে আবার এক হয় এবং নিজেদের মনের টান প্রকাশ করে, তা নিয়েই সিনেমার শেষ অংশ।
Sponsored